ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মতো হার্ড ডিস্কেরও আয়ু থাকে। কম্পিউটারের ইন্টারনাল
স্টোরেজের আয়ু সাধারণত ৫-১০ বছর ধরা হয় আর এক্সটারনাল হার্ডডিস্কের আয়ু ধরা
হয় ৩-৫ বছর। তবে আয়ুর বিষয়টি তাপমাত্রার ওঠানামা, আর্দ্রতা ও নানা বাহ্যিক
অবস্থার ওপরেও অনেকটা নির্ভর করে। এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ সহজে বহনযোগ্য
বলে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে এর আয়ু কমে যায়। হার্ডড্রাইভের আয়ু
কীভাবে ধীরে ধীরে কমে যায় তা জেনে নিন:
১. কম্পিউটার গতি কমতে থাকলে এবং কম্পিউটার বারবার হ্যাং হতে শুরু করলে বা
ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ দেখালে বুঝবেন আপনার হার্ডড্রাইভ শেষের পথে। এগুলো
হার্ডড্রাইভের কার্যক্ষমতা কমার সম্ভাব্য লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হয়তো সব
সময় দেখবেন না কিন্তু উইন্ডোজ সেফ মোড বা নতুন করে ইনস্টলেশন দেওয়ার সময়
যদি এ ধরনের সমস্যা দেখেন তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভ ঠিকমতো কাজ করছে না।
২. যদি খুব বেশি ব্যাড সেক্টর দেখতে পান তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভের অবস্থা
শোচনীয়। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে হার্ডড্রাইভের ত্রুটিপূর্ণ এলাকা যে এলাকাগুলো
ডাটা রিড বা রাইট করার অনুরোধ পেলেও সাড়া দেয় না। বড় আকারের ডিস্ক ব্যবহার
করা হলে এগুলো শনাক্ত করা কঠিন। উইন্ডোজে এসব ব্যাড সেক্টর পরীক্ষা করতে
মাই পিসি থেকে ড্রাইভ পার্টিশন অংশে যেতে হবে। মাই পিসিতে রাইট ক্লিক করে
প্রপার্টিজে আগে যেতে হবে। এরপর টুলস থেকে এরর চেকিংয়ে ক্লিক করতে হবে।
অপ্টিমাইজেশন করতে অপটিমাইজ অ্যান্ড ডিফ্র্যাগমেন্ট ড্রাইভ করা যাবে।
৩. হার্ডড্রাইভ থেকে যদি একই শব্দ বারবার শোনা যায় বা কোনো কিছু গুঁড়ো করার
মতো শব্দ আসতেই থাকে তবে হার্ডড্রাইভ প্রায় শেষের পথে। বারবার শব্দ আসার
বিষয়টিকে ‘ক্লিক অব ডেথ’ বলা হয়। কোনো কিছু রাইট করতে বা এরর ঠিক করার
প্রক্রিয়ার সময় এ শব্দ তৈরি হয়।
৪. হার্ডড্রাইভ অকার্যকর হওয়ার আরেকটি সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে ফাইল না
খোলা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ফাইল গায়েব হওয়া বা ফাইল করাপ্ট হয়ে যাওয়া।
0 মন্তব্যসমূহ